রাসুল (সা.) এর শাফায়াত পাবে যারা
মোঃ আবদুল গনী শিব্বীর:: শাফায়াত আরবী শব্দ। শাফায়াত-এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে, সুপারিশ, মাধ্যম ও দোয়া বা প্রার্থনা। পরিভাষায় পরকালীন জীবনের হিসাব নিকাশের প্রাক্কালে কিয়ামত ময়দানে বিভীষিকাময় মুহুর্তে আল্লাহর ইচ্ছায় আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কর্তৃক উম্মতদের মুক্তির লক্ষ্যে আল্লাহর নিকট সুপারিশকে ‘শাফায়াত’ বলে। রাসুল (সা.) কর্তৃক শাফায়াত লাভ পরম সৌভাগ্যের। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কেবলমাত্র তাঁর প্রিয়তম রাসুল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আরাইহি ওয়া সাল্লামকে ‘মাক্বামে মাহমুদ’ দান করবেন। উল্লেখ্য যে, মাক্বামে মাহমুদ হলো, যে স্থানে অবস্থান করে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর হুকুমে ‘শাফায়াত’ করবেন।
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই হবেন সর্বপ্রথম সুপারিশকারীঃ
আল্লাহর প্রিয় হাবিব হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে আল্লাহ তায়ালা সর্বপ্রথম শুপারিশ করার আদেশ দিবেন। এ প্রসঙ্গে হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন আমি আদম সন্তানের নেতা হব। সর্ব প্রথম আমাকেই কবর থেকে ওঠানো হবে। কেয়ামতের দিন আমিই সর্ব প্রথম সুপারিশ করবো এবং আমার সুপারিশই সর্ব প্রথম গ্রহণ করা হবে।’ (সহীহ মুসলিম: হাদিস: )।
সুপারিশ চলাকালীন সময়ের চমৎকার বর্ণনাঃ
কিয়ামতের ময়দানে হিসাব নিকাশ চলাকালীন সময়ে আল্লাহর নিকট উম্মতদের জন্য নবী রাসুল কর্তৃক শাফায়তের চমৎকার বর্ণনা পবিত্র হাদিস শরীফে উল্লেখ রয়েছে। আর তা হল,যা ইমাম বুখারী (রহ.) তাঁর প্রসিদ্ধ কিতাব সহীহুল বুখারীতে ‘কিতাবুত তাওহিদ’ অংশে বর্ণনা করেছেন। মা’বাদ ইবন হিলাল আল আনাযী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বসরাবাসী কিছু লোক একত্রিত হয়ে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। আমাদের সঙ্গে সাবিত (রাঃ) কে নিলাম, যাতে তিনি আমাদের কাছে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত শাফাআত সম্পর্কিত হাদীস জিজ্ঞেস করেন। আমরা তাঁকে তাঁর মহলেই চাশতের সালাতরত পেলাম। তাঁর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলে তিনি আমাদেরকে অনুমতি দিলেন। তখন তিনি তাঁর বিছানায় উপবিষ্ট অবস্থায় আছেন। অতঃপর আমরা সাবিত (রাঃ) কে অনুরোধ করলাম, তিনি যেন শাফায়াতের হাদীসটি জিজ্ঞেস করার পূর্বে অন্য কিছু জিজ্ঞেস না করেন। তখন সাবিত (রাঃ) বললেন, হে আবূ হামযাহ! এরা বসরাবাসী আপনার ভাই, তারা শাফায়াতের হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে এসেছে।
অতঃপর আনাস (রাঃ) বললেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, কিয়ামতের দিন মানুষ সমুদ্রের ঢেউয়ের মত ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে। তাই তারা আদম (আঃ)-এর কাছে এসে বলবে, আমাদের জন্য আপনার রবেবর নিকট সুপারিশ করুন।
তিনি বলবেনঃ এ কাজের জন্য আমি নই। বরং তোমরা ইব্রাহীম (আঃ) এর কাছে যাও। কারণ, তিনি হলেন আল্লাহর খলীল। তখন তারা ইব্রাহীম (আঃ) এর কাছে আসবে। তিনি বলবেনঃ আমি এ কাজের জন্য নই। তবে তোমরা মূসা (আঃ)-এর কাছে যাও। কারণ তিনি আল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন। তখন তারা মূসা (আঃ) এর কাছে আসবে। তিনি বলবেনঃ আমি তো এ কাজের জন্য নই। তোমরা ‘ঈসা (আঃ) এর কাছে যাও। কারণ তিনিই আল্লাহর রূহ ও বাণী। তারা তখন ‘ঈসা (আঃ) এর কাছে আসবে। তিনি বলবেনঃ আমি তো এ কাজের জন্য নই। তোমরা বরং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে যাও। এরপর তারা আমার কাছে আসবে। আমি বলব, আমিই এ কাজের জন্য। আমি তখন আমার রবেবর নিকট অনুমতি চাইব।
আমাকে অনুমতি দেয়া হবে। আমাকে প্রশংসাসূচক বাক্য ইলহাম করা হবে যা দিয়ে আমি আল্লাহর প্রশংসা করব, যেগুলো এখন আমার জানা নেই। আমি সেসব প্রশংসা বাক্য দিয়ে প্রশংসা করব এবং সিজদায় পড়ে যাব। তখন আমাকে বলা হবে, ইয়া মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও। তুমি বল, তোমার কথা শোনা হবে। চাও, দেয়া হবে। সুপারিশ কর, গ্রহণ করা হবে। তখন আমি বলবো, হে আমার প্রতিপালক! আমার উম্মাত! আমার উম্মাত! বলা হবে, যাও, যাদের হৃদয়ে যবের দানা পরিমাণ ঈমান আছে, তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে দাও। আমি গিয়ে এমনই করব। তারপর আমি ফিরে আসব এবং পুনরায় সেসব প্রশংসা বাক্য দ্বারা আল্লাহর প্রশংসা করবো এবং সিজদায় পড়ে যাবো।
তখন বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও। তোমার কথা শোনা হবে। চাও, দেয়া হবে। সুপারিশ কর, গ্রহণ করা হবে। তখনো আমি বলব, হে আমার রব! আমার উম্মাত! আমার উম্মাত! তখন বলা হবে, যাও, যাদের এক অণু কিংবা সরিষা পরিমাণ ঈমান আছে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের কর। আমি গিয়ে তাই করব। আমি আবার ফিরে আসব এবং সেসব প্রশংসা বাক্য দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করবো। আর সিজদায় পড়ে যাবো। আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও। বল, তোমার কথা শোনা হবে। চাও, দেয়া হবে। সুপারিশ কর, গ্রহণ করা হবে। আমি তখন বলবো, হে আমার রব, আমার উম্মাত! আমার উম্মাত! এরপর আল্লাহ্ বলবেন, যাও, যাদের অন্তরে সরিষার দানার চেয়েও অতি ক্ষুদ্র পরিমাণও ঈমান আছে, তাদেরকেও জাহান্নাম থেকে বের করে আন। আমি যাবো এবং তাই করবো।
তখন বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠাও। বল, তোমার কথা শোনা হবে। চাও, দেয়া হবে। শাফায়াত কর, গ্রহণ করা হবে। আমি বলব, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে তাদের সম্পর্কে শাফায়াত করার অনুমতি দান কর, যারা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলেছে। তখন আল্লাহ্ বলবেন, আমার ইয্যত, আমার পরাক্রম, আমার বড়ত্ব ও আমার মহত্তে¡র শপথ! যারা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলেছে, আমি অবশ্য অবশ্যই তাদের সবাইকে জাহান্নাম থেকে বের করব। (সহীহ বুখারী: হাদিস: ৭৫১০)।
যারা শাফায়াত লাভ করবেঃ
১. মুখলেস ঈমানদারঃ যে সকল ঈমানদার একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসস্থাপন করেছে এবং ঈমানের উপর অটল থেকে মৃত্যুবরণ করেছে, কেয়ামতের দিন তারা রাসুল (সা.) এর শাফায়াত লাভ করবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি যে ইখলাসের সঙ্গে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ অর্থ্যাৎ ‘আল্লাহ তাআলা ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই।’ (সহীহ বুখারি: হাদিস: )
২. শষ্য পরিমান যার ঈমান আছেঃ আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে আমি বলতে শুনেছি যে, ‘কিয়ামতের দিন যখন আমাকে সুপারিশ করার অনুমতি দেয়া হবে তখন আমি বলব, হে আমার রব! যার অন্তরে এক সরিষা পরিমাণ ঈমান আছে, তাকে তুমি জান্নাতে প্রবেশ করাও। তারপর তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। তারপর আমি বলব, তাকেও জান্নাতে প্রবেশ করাও, যার অন্তরে সামান্য ঈমানও আছে। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাতের আঙুলগুলো যেন এখনো দেখছি। (সহীহ বুখারী: হাদিস: ৭৫০৯)।
৩. যারা আযানের দোয়া পড়ে রাসুলের ওসীলা কামনা করেঃ মুহাম্মাদ ইবন সালামা (রহ.) আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি নবী করীম (সা.)-কে বলতে শুনেছেন, যখন তোমরা মুয়াজ্জিনকে আজান দিতে শুনবে তখন সে যেরূপ বলে, তোমরাও তদ্রæপ বলবে। অত:পর তোমরা (আজান শেষে) আমার প্রতি দরুদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাআলা তার ওপর দশটি রহমত নাজিল করবেন। অতঃপর তোমরা আল্লাহর নিকট আমার জন্য ‘ওয়াসীলা’ প্রার্থনা কর এবং ‘ওয়াসীলা’ হলো জান্নাতের একটি বিশেষ স্থান। আল্লাহ তাআলার একজন বিশিষ্ট বান্দাহ ওই স্থানের অধিকারী হবেন এবং আমি আশা করি আমিই সেই বান্দা। অত:পর যে ব্যক্তি আমার জন্য ‘ওয়াসীলার’ দোয়া করবে তার জন্য শাফাআত করা আমার ওপর ওয়াজিব হবে। (সহীহ আবু দাউদ: হাদিস: ৫২৩)।
৪. যারা তাক্বওয়া অবলম্বন করেঃ আল্লাহর প্রতি একত্ববাদ ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রেসালাতে বিশ্বাসী ব্যক্তিগণ যারা আল্লাহকে ভয় করে, ইচ্ছাকৃত সকল প্রকার পাপ থেকে বিরত থাকে। তারা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুপারিশ লাভ করবে।
৫. যারা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আনুগত্য করেঃ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আনুগত্য প্রকারান্তরে আল্লাহরই আনুগত্য। যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করবে, তারা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফায়াত লাভ করবে।
৬. পাপী হওয়া সত্ত্বেও যারা রাসুলের মিল্লাতে বিশ্বাসী: সর্বদা পাপ করে এমন পাপী ব্যক্তি, যার সামান্যতম ঈমান আছে। সে যদি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মিল্লাতে নিজেকে মনে করে। এমন ব্যক্তির জন্য রাসুল (সা.) শাফায়াত করবেন। কেননা হাদিসে এসেছে, হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘আমার শাফা’আত আমার উম্মতের কবীরা গুনাহকারী উম্মতের জন্য। (তিরমিযী শরীফ: হাদীস: ২৪৩৫)।
শাফায়াত বিষয়ে প্রখ্যাত মনীষীগণের বক্তব্যঃ
ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিয়েছেন যে, সমস্ত শাফায়াত তাঁরই এখতিয়ারভুক্ত। যাদের তিনি অনুমতি দান করবেন এবং যার কথা ও কাজে তিনি সন্তুষ্ট, সে ব্যতীত আর কেউ তাঁর নিকট শাফায়াত করতে পারবে না। তারা হচ্ছেন নির্ভেজাল-একনিষ্ঠ তাওহীদবাদী, যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সুপারিশকারী হিসেবে গ্রহণ করে নি। আর তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তাকে সুপারিশ করার অনুমতি দিবেন। আর তারা যেহেতু তাকে ছাড়া অন্য কাউকে সুপারিশকারী হিসেবে গ্রহণ করে নি, সেহেতু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফায়াত দ্বারা সর্বাপেক্ষা ভাগ্যবান ঐ ব্যক্তি হবে যার ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা অনুমতি দান করবেন। আর সে হচ্ছে একনিষ্ঠ তাওহীদবাদী, যে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সুপারিশকারী হিসাবে গ্রহণ করে নি।
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে শাফায়াতের স্বীকৃতি দান করেছেন, তা হচ্ছে ঐ শাফায়াত যা তাঁর অনুমতিক্রমে একনিষ্ঠ তাওহীদবাদীর জন্য প্রকাশ পাবে এবং আল্লাহ তায়ালা যে শাফায়াতের অস্বীকার করেছেন, তা হচ্ছে শিরকী শাফায়াত যা ঐ সমস্ত শিরকবাদীদের অন্তরে বদ্ধমূল রয়েছে, যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে সুপারিশকারী হিসাবে গ্রহণ করেছে। অতএব, শিরকবাদীদের ব্যাপারে তাদের শিরকী শাফায়াতের কারণে তাদের উদ্দেশ্যের বিপরীত আচরণ করা হবে এবং একনিষ্ঠ তাওহীদবাদীরা স্বীকৃত শাফায়াতের দ্বারা সফলকাম হবেন।’ (তাইসীরুল আযীযিল হামীদ: পৃষ্ঠা: ২৪৭)।
শায়খ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওহহাব (রহ.) বলেন, ‘বস্তুতপক্ষে যখন সমস্ত শাফায়াত একমাত্র আল্লাহরই জন্য সংরক্ষিত এবং তা আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষ। আর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বা অন্য কেউ আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কারো জন্য শাফায়াত করতে সক্ষম হবেন না। আল্লাহর অনুমতি একমাত্র একনিষ্ঠ তাওহীদবাদীদের জন্যই নির্দিষ্ট। এখন তোমার কাছে এ কথা পরিষ্কার হয়ে গেল যে, সকল প্রকার শাফায়াতের মালিক হচ্ছেন আল্লাহ। সুতরাং আমি তাঁরই নিকট শাফায়াত প্রার্থনা করি এবং বলি: “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফায়াত থেকে বঞ্চিত করো না। হে আল্লাহ! তুমি তাঁকে আমার জন্য শাফায়াতকারী বানিয়ে দাও। অনুরূপ অন্যান্য দোয়াও আল্লাহর নিকট করতে হবে।” (কাশফুশ শোবহাত)।
পরিশেষে, মহান আল্লাহপাক আমাদেরকে আল্লাহপাকের প্রিয় নবী মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফায়াত লাভ করার তাওফিক দান করুন।
লেখকঃ মোঃ আবদুল গনী শিব্বীর, মুহাদ্দিস, নোয়াখালী কারামাতিয়া কামিল মাদরাসা, সোনাপুর, সদর, নোয়াখালী।
- পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে MS3 টেকনোলজি বিডি পরিবারের ঈদ শুভেচ্ছা
- এবার এফ-৩৫ জঙ্গি বিমানে ইরানি আঘাত
- শুধু সামরিক শক্তির মাধ্যমে ইরানের মোকাবিলা সম্ভব নয়: মুজতাবা খামেনেয়ী
- ইরানে সম্ভাব্য হামলার পরিণতির বিষয়ে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
- একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- রমজান মাসই বন্ধ থাকছে মাধ্যমিকসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা
- যুদ্ধ, বিভাজন ও অনিশ্চয়তা: বহুমুখী সংকটে ইসরায়েল
- পুরো রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ
- নির্বাচন একটি অধ্যায় মাত্র; আমাদের আদর্শিক ও নৈতিক সংগ্রাম চলমান থাকবে - ওবায়দুল্লাহ ফারুক
- হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান
- বিজেপি-আরএসএসের বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় উইকিপিডিয়া
- আসামে তীব্র শীতের মধ্যেই ১৫০০ মুসলিম পরিবারের ঘর গুঁড়িয়ে দিল ভারত
- নুতন বই পেয়ে উচ্ছাসিত রাঙামাটির শিক্ষার্থীরা
- সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে খালেদা জিয়ার মরদেহ
- আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আর নেই
- শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান
- জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি জানিয়ে নাহিদকে এনসিপির ৩০ নেতার চিঠি
- পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরশাসনের পতন
- তারেক রহমানের বহনকারী প্লেন নামল সিলেটে

