ট্রাম্পের প্রতি জনসমর্থন সর্বনিম্ন পর্যায়ে, চাপে রিপাবলিকানরা
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে বিরক্ত মার্কিন নাগরিকরা। এক জরিপে দেখা গেছে তার প্রতি জনসমর্থন রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই ফল রিপাবলিকানদের জন্য বড় উদ্বেগ ও চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর জন্য ফোকালডেটার করা জরিপে দেখা গেছে, নিবন্ধিত ভোটারদের মাত্র ৩৩ শতাংশ ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রতি সন্তুষ্ট। মে মাস থেকে এ বিষয়ে জরিপ শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বনিম্ন হার। আগের মাসের তুলনায়ও ট্রাম্পের অনুমোদন ৩ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে।
জরিপে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে মানুষের বাড়তে থাকা হতাশা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমার অন্যতম কারণ। বিশেষ করে তার বাণিজ্য ও শুল্কনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার নেতিবাচক মত দিয়েছেন।
প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নিবন্ধিত ভোটার মনে করেন, মার্কিন অর্থনীতি ভুল পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আর ৫৭ শতাংশ বলেছেন, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তাদের আর্থিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।
এমনকি রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যেও ট্রাম্পের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান পরিচালনা নিয়ে সমর্থন কমেছে। মাত্র ৫৩ শতাংশ রিপাবলিকান এ বিষয়ে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করেছেন, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ পয়েন্ট কম।
এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি খরচও বেড়েছে। শুক্রবার ডিজেলের জাতীয় গড় দাম গ্যালনপ্রতি ৫.৮৫ ডলারে পৌঁছায়, যা রেকর্ড সর্বোচ্চ। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাত তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
তবে ট্রাম্প শুক্রবার ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে বড় ধরনের যুদ্ধ হিসেবে দেখার বিষয়টি নাকচ করে এটিকে তুলনামূলক ছোট সামরিক অভিযান হিসেবে উল্লেখ করেন। হরমুজ প্রণালির গুরুত্বও কমিয়ে দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, নতুন পাইপলাইন, নৌপথ ও স্থলপথে তেল পরিবহনের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।
এদিকে, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি জনসমর্থনও বাড়ছে। গ্যালাপের সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩১ শতাংশ মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক নিজেদের ডেমোক্র্যাট হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। বিপরীতে রিপাবলিকান হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন ২৫ শতাংশ।
দুই দলের মধ্যে ৬ শতাংশ পয়েন্টের এই ব্যবধান এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের সবচেয়ে বড় অগ্রগতি। ফলে নভেম্বরে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লড়াই রিপাবলিকানদের জন্য আরও কঠিন হতে পারে।
- প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে ১০ দফা দাবি সংসদে, যা বললেন প্রতিমন্ত্রী নুর
- ট্রাম্পের প্রতি জনসমর্থন সর্বনিম্ন পর্যায়ে, চাপে রিপাবলিকানরা
- ঢাকায় নারী গুলিবিদ্ধের ঘটনায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩
- গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০
- মেসির দুই অ্যাসিস্টের পরও মায়ামিকে রুখে দিলেন সেই এমবোলো
- ইরানে জ্বালানি ট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১১
- ঢাকায় ফার্নিচার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন
- টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথকীকরণ কর্মসূচী
- নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আসা পুরোপুরি বন্ধ
- ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলা সম্পর্কে যা জানা গেল
- ইরানে জ্বালানি ট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১১
- নোয়াখালীকে বিভাগ করার দাবি, সংসদে যা বললেন ডেপুটি স্পিকার
- সীমান্তে মানুষ মারতে কুমির ও বিষধর সাপ ছাড়ছে ভারত
- এবার যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক বন্যার তাণ্ডব, নিখোঁজ অনেকে
- বিদেশে পাচার বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন সিস্টেম
- দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কে এই আইরিন খান
- জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
- আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)
- ওসমানীনগরে ট্রাংক লরির চাপায় নিহত ৪

