`

ঢাকায় নারীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার, ফিঙ্গারপ্রিন্টেও মেলেনি পরিচয়

  • Views: 2247
  • Share:
সেপ্টেম্বার ১৪, ২০২৬ ১১:৫১ Asia/Dhaka

রাজধানীর আদাবরের ১০ নম্বর হাক্কার মোড় এলাকায় ব্যাগ ও খাল থেকে উদ্ধার হওয়া খণ্ডবিখণ্ড নারীর মরদেহের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। চার টুকরা মরদেহ উদ্ধারের পর আরও দুই পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক বা একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে আদাবরের ১০ নম্বর হাক্কার মোড় এলাকা থেকে খণ্ডবিখণ্ড অবস্থায় নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একটি ব্যাকপ্যাকের ভেতর থেকে মাথা ও দুই হাত এবং খাল থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় শরীর ও দুই পা উদ্ধার করা হয়।

মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা গিয়ে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তবে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, নিহত নারীর বয়স ১৮ বছরের কম বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে তাঁর তথ্য না থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

পুলিশের ধারণা, মরদেহটি অন্য কোনো স্থান থেকে খালে ফেলে দেওয়া হতে পারে। খালটিতে ময়লা-আবর্জনা থাকলেও পানির স্রোত রয়েছে। ফলে কয়েক দিন আগে অন্য কোথাও ফেলে দেওয়া মরদেহটি ভেসে ওই এলাকায় আসতে পারে।

তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহত নারীর পরিচয় বা মরদেহের দাবি নিয়ে কেউ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এ ঘটনায় আদাবর থানায় অজ্ঞাতনামা এক বা একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৬টার মধ্যে যেকোনো সময় হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। ১২ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলাটি করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহেশ চন্দ্র সিংহ। তিনি ওই এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করছেন।

user
user
Ad
Ad