`

ডায়াবেটিসে সর্বাগ্রে টিকা জরুরি ও গ্রহণে সতর্কতা এবং শিশুরা করোনায় আক্রান্ত না হওয়ার কারণ

  • Views: 577
  • Share:
এপ্রিল ১৬, ২০২১ ২৩:১৩ Asia/Dhaka

অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন:: সাধারণত ৪০ শের পর থেকেই আমাদের কোষগুলো দূর্বল হতে শুরু করে এবং ৬০ এর পরে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা অনেকটা হ্রাস পায় এমনকি আমাদের অধিকাংশের কিডনিরও কার্যক্ষমতা প্রায় ৩০% কমে আসে। আর দশ বছর বা তার বেশি কাল যাবৎ ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত হয়ে থাকলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা আরও অনেকটা বেশি হ্রাস পায়। কাজেই যাদের ডায়াবেটিস এবং বয়স ৬৫ বছরের বেশি অন্যান্যদের চেয়ে তাদের আক্রান্ত ও মৃত্যু ঝুঁকি অনেক বেশি । কাজেই এ শ্রেণির লোকজন বাজার-হাট ও লোকসমাগম এড়িয়ে চলাই হবে অন্যতম কাজ এবং এদেরকেই সর্বাগ্রে টিকা গ্রহণ করা জরুরি । তবে টিকা দেয়ার পূর্বে এবং পরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কারণ টিকা গ্রহণের পর যখন অ্যান্টিবডি তৈরী হতে শুরু করে তখন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যেতে থাকে। কাজেই ডায়াবেটিসকে ৬ থেকে ১০ এর মধ্যে নিয়ন্ত্রিত রেখে টিকা গ্রহণ করা নিরাপদ ও জরুরি ।

শিশুরা আক্রান্ত না হওয়ার কারণঃ
 প্রধানত দুটি প্রোটিনের মধ্যে সংযুক্তি বা সম্বনয় না ঘটলে করোনা ভাইরাস আমাদের কোষে প্রবেশ করতে পারে না। ভাইরাস দুটির একটি হচ্ছে ভাইরাসের নিজের স্পাইকের প্রোটিন এবং অন্যটি হচ্ছে আমাদের দেহকোষের বাইরের আবরণীতে থাকা অ্যাঞ্জিওটেনসিন-রুপান্তরিত এনজাইম-২ বা ACE-2 রিস্পেটর প্রোটিন যার সাথে ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের সংযুক্তি ঘটলে তার উপর ভর করেই করোনা ভাইরাস আমাদের কোষে প্রবেশ করে তার অসংখ্য রেপ্লিকেশন বা বংশবৃদ্ধি ঘটিয়ে আমাদের ফুসফুস ও কিডনিসহ নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্রমান্বয়ে  অকার্যকর করে ফেলতে থাকে। আমাদের যেসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কোষের বাইরের প্রলেপ বা আবরণীতে পরিপূর্ণমাত্রায় ঐ বাহক প্রোটিনটি বিদ্যমান না থাকলে করোনা ভাইরাস আমাদের কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না । আর সাধারণত ১৮ বছরের আগে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই ACE-2  প্রোটিনটি পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরী হয়ে থাকে না। আর এজন্যই এবং বিশেষ করে ভাইরাসের প্রবেশ পথে অর্থাৎ শিশুদের নাসারন্ধ্রের কোষে পর্যাপ্ত ACE-2  প্রোটিন না থাকার কারণেই শিশুদের কোষে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে না বলেই তারা প্রায় নিরাপদ । 

টিকা ও করোনা হয়ে যেতে পারে আমাদের নিত্য জীবনের সঙ্গী এবং সংক্রমণে অক্সিজেন ঘাটতি কেনো প্রধানতম ঝুঁকি । এছাড়াও জেনোম সিকোয়েন্সিং, ইমিউনিটি, হার্ড-ইমিউনিটি এবং ইমিউনিটি তৈরীতে ভিটামিন-ডি, সি ও সূর্যালোকের আব্যশকতা ও কিছু বিশেষ বিশেষ খাদ্য-দ্রব্যের ভূমিকাঃ 
টিকা আবিষ্কার ও প্রয়োগ শুরু হলেও এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ কোটি টিকা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে এবং এ হারে উৎপাদন ও প্রয়োগ হতে থাকলে ধারণা করা হচ্ছে যে সাতশতাধিক কোটি মানুষের হার্ড-ইমিউনিটির পর্যাপ্ত সংখ্যক মানুষকে টিকার আওতায় আনতে তিন বছর সময় লেগে যেতে পারে । কেননা ৮৫% দেশ এখনো টিকা কার্যক্রম শুরুই করতে পারেনি। তাছাড়া টিকা গ্রহণে অনেকই অাগ্রহীও নন। আর যেহেতু বছর ঘুরতে না ঘুরতে মিউটেশনের অস্বাভাবিক নতুন ভ্যারিয়েন্টের ভাইরাস বা মিউটেন্ট ঘটে গেছে । কাজেই টিকা প্রয়োগ শেষ করতে না করতে আরও অনেক নতুন ভ্যারিয়েন্টের ভাইরাসও চলে আসাই স্বাভাবিক।  ইত্যাদি কারণে পৃথিবী হয়তো আর করোনামুক্ত নাও হতে পারে। হেপাটাইটিস বি, টাইফয়েড ইত্যাদি ভাইরাসের মতো লাগাতার হয়েই যেতে পারে । আর তখন নতুন জেনারেশন ও আমরা সবাইকে হয়তো কোভিড- ১৯ এর সাথে লড়াই করে বাঁচতে হবে এবং বারবার টিকা গ্রহণ করতে হতে পারে । 
 
ব্যাকটেরিয়া ও জীবের জেনোম হচ্ছে DNA । তবে ভাইরাসের জেনোম দুটি অর্থাৎ DNA বা RNA এ দুটির যেকোনোটি হতে পারে । আর যে দল বা বংশের এই করোনা ভাইরাস বর্তমানে বিদ্যমান তারা RNA গ্রুপের । কাজেই RNA এর জেনোম সিকোয়েন্সিং করে করোনা ভাইরাসের মিউটেশন বা রুপান্তরকে জানা যায়। করোনা টেস্টের আরটিপিসিআর এর মাধ্যমে কেবল আক্রান্ত কি না তা জানা যায়। তার জেনোম সিকোয়েন্সিং করা যায় না। তার রুপ বদলালো কি না তা জানতে হলে আলাদা ল্যাবে ভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে জেনোম সিকোয়েন্সিং করেই তার রুপ পরিবর্তনকে জানতে হয় । কাজেই বর্তমানে জেনোম সিকোয়েন্সিং করে হোক বা অনুমান করেই হোক ধরে নেয়া হচ্ছে ৮০% ই নতুন সাউথ আফ্রিকান,ব্রাজিল, UK বা USA এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন, যা অনেক গুণ বেশি সংক্রামক ও তীব্র এবং করোনার আরেকটি সমস্যা হচ্ছে যে,রোগটি  ছেড়ে গেলেও প্রায় ৪০ দিন পর্যন্ত ভাইরাসের ভগ্নাংশের জন্য টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ আসতে থাকে । কাজেই পজিটিভ আসলেও ভয়ের কারণ নেই । 

করোনা ভাইরাস সব আগে সবচেয়ে বেশি আঘাত করে আমাদের ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডকে এবং এ দুটিই সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্ত সরবরাহ করিয়ে থাকে । রক্তে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ এবং প্রধানত অক্সিজেন ও কার্বান্ডাই অক্সাইড গ্যাস থাকে। আমরা শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে যে অক্সিজেন ও কার্বান্ডাই অক্সাইড আদান-প্রদান করি তার মধ্যে আমাদের ধমনিগুলো হৃদপিণ্ডে পরিবাহিত বিশুদ্ধ  হিমোগ্লোবিন বা লোহিত রক্ত কণিকার মাধ্যমে অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ও কোষে কোষে ক্রমাগত অক্সিজেন সরবরাহ করে। আর  শিরাগুলো কার্বান্ডাই অক্সাইডযুক্ত রক্ত বহন করে হৃতপিন্ডে নিয়ে আসে এবং দেহ থেকে তা নিশকাশন করতে থাকে ।  আর ফুসফুস ধমনী ও শিরা উভয়ের সাথে যুক্ত থেকে সার্বিক রক্ত প্রবাহ ঘটায়। 

কাজেই এ ভাইরাস আমাদের ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডেকে যখন মারাত্মক আঘাত করে তখন অঙ্গগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আমাদের দেহে অক্সিজেন সরবরাহ ও কার্বান্ডাই অক্সাইড নিশকাশনকে বাঁধাগ্রস্ত করার সাথে সাথে বিভিন্ন অঙ্গ বিকল হয়ে রোগী সংকটাপন্ন অবস্থায় পড়ে   যায় এবং প্রধানত শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় । এজন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়, অন্তত পালস অক্সিমিটারের মাধ্যমে অক্সিজেনের মাত্রা পর্যবেক্ষণে রাখা। রক্তে ৯৫ থেকে ৯৯%  অক্সিজেন থাকা স্বাভাবিক মাত্রা । এর নীচে নামলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিবে। কাজেই পালস অক্সিমিটার হাতের মধ্যমা বা তর্জনীর ডগায় লাগিয়ে টেস্ট করতে হয় এবং স্বাভাবিক মাত্রার নীচে অর্থাৎ ৯২% এর নীচে নামলে সাথে সাথে হাসপাতালে কিংবা ঘরে প্রথমত অক্সিজেনের ব্যবস্হা করত হয়। আর পালস অক্সিমিটার না থাকলেও যদি শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় তবে বুঝে নিতে হবে যে অক্সিজেন স্বাভাবিক মাত্রার নীচে নেমে গেছে এবং ফুসফুস সহ কিছু অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আর এজন্য সাথে সাথে ব্যবস্হা গ্রহণ করতে হয় । কাজেই বুঝা যাচ্ছে যে, রোগটি কত ভয়ানক। আর যেহেতু prevention is better than cure, অতএব,সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করাই হচ্ছে উত্তম । 

হার্ড- ইমিউনিটিঃ
অতি সংক্ষেপে বললে যা বুঝায় তা হচ্ছে, হয় ৭০ থেকে ৮০% মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভাইরাস প্রতিরোধী হয়ে উঠতে হবে এবং তা না হলে ৭০ থেকে ৮০% মানুষকে টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে এ ভাইরাসের 
অ্যান্টিবডিযুক্ত করে রোগপ্রতিরোধী করে তুলতে  হবে এবং এটাকেই হার্ড- ইমিউনিটি বলে। আর হার্ড ইমিউনিটির সহজ মানে হচ্ছে যে, ভাইরাস অ্যান্টিবডিযুক্ত এই ৭০ বা ৮০% মানুষের কাছে আসলেই এরা ভাইরাসগুলোকে গ্রাস করতে থাকে এবং এভাবে গ্রাস হতে হতে আর যে পরিমাণ ভাইরাস বাইরে থাকে তা দ্বারা বাকী ২০% কে আর আক্রান্ত করার সক্ষমতা থাকে না । আর এজন্যই এমনটাকেই হার্ড- ইমিউনিটি বুঝায় । 

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ডি ও সি এর ভূমিকাঃ 
ভিটামিন ডি ছাড়া আমাদের দেহে ক্যালসিয়াম শোষিত হয় না এবং ঠিক তেমনি ভিটামিন সিও বিভিন্ন পুষ্টি ও আয়রন শোষণে সহায়ক ভুমিকা পালন করে । আর এগুলোর ঘাটতির জন্য ত্বক, চুল, দাঁত ও হাড়ের ঘনত্বসহ আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায় । 
আর ভিটামিন ডি হচ্ছে মূলত একধরনের স্টেরয়েড হরমোন যা দেহের প্রোটিনকে নিয়ন্ত্রণ করে । আর বিশেষ করে শিশুদের দৈহিক গঠন, উচ্চতা বৃদ্ধি, ওজন বা স্হূলতা ইত্যাদি ভিটামিন ডি নিয়ন্ত্রণ করে, এমনকি শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস- ২ রোগটি তরান্বিত হওয়াকে ভিটামিন ডির ঘাটতিজনিত রোগপ্রতিরোধের অক্ষমতাকে দায়ী করা হচ্ছে । 

আর বিশেষ করে যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা যত কম তারা ততো বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে থাকেন । 
যুক্তরাজ্যভিত্তিক এক গবেষণায় করোনা প্রতিরোধ সংক্রান্ত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার এবং ভিটামিন ডি ও সি গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা অনেকটাই সম্ভব । কাজেই ভিটামিন ডি ও সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন টক ও লেবুজাতীয় ফলমূল, শাক-সবজি  এবং ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পুরণে মাছ,মাংস, গরুর কলিজা, দুধ, টক দই, ডিম, মাশরুম প্রভৃতি । ভিটামিন ডি-২ এবং ভিটামিন ডি-৩ সাধারণত খাবার-দাবারের মাধ্যমে আমাদের দেহ উৎপাদন করতে পারে। তবে সান ডি বা ডি-১ সূর্যের আলো থেকেই গ্রহণ করতে হয়। এজন্য মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সকাল ১০ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত প্রতিদিন ৩০ মিনিট রোদ পোহালে হয়, তবে শীতকালে আরেকটু বেশি সময় প্রয়োজন হয় এবং রোদ পোহানোর সময় দেহের অন্তত ২০/২১% অংশ রোদ শোষণের জন্য উন্মুক্ত থাকা প্রয়োজন । আমাদের দেহে প্রাণিজ ও উদ্ভিদজাত স্টেরল ও ফাইটোস্টেরল হরমোন সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মি দ্বারা রুপান্তরিত হয়ে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত গড়ে প্রতিদিন ৬০০ আইইউ এবং ৭০ এর বেশি বয়স হলে গড়ে প্রতিদিন ৮০০ আইইউ পরিমাণ ভিটামিন ডি প্রয়োজন হয়। কাজেই নানা কারণে যাদের ভিটামিন ডি এর ঘাটতি ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম,  যেমন যে শিশুরা মায়ের কাছ থেকে পর্যাপ্ত দুধ খেতে পারে না, যাদের পুরো শরীর জামা-কাপড়ে আবৃত থাকে, যারা অফিস-আদালতে সারাক্ষণ বসে থাকতে হয় রোদে হাটাহাটির সময় হয় না কিংবা যাদের বিপাকক্রিয়া বা হজমজনিত সমস্যার কারণে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি রয়েছে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ভিটামিন ডি টেবলেট বা ভিটামিন ডি ক্যাপসূল গ্রহণ করা আবশ্যক । যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং ভিটামিন ডি এর ঘাটতি অনেক বেশি তারা প্রয়োজনে প্রতি সপ্তাহে ৪০০০০ (চল্লিশ হাজার) আইইউ এর একটি ক্যাপসূল দুধের সাথে মিশিয়ে ৪/৫ সপ্তাহ গ্রহণের পর প্রতি মাসে একটি করে কয়েক মাস গ্রহণ করতে পারবেন । আর শিশুরা  এবং  যাদের ঘাটতি কম তারা একইভাবে ২০০০০(বিশ হাজার) আইইউএর ক্যাপসূল গ্রহণ করতে পারবেন । 

এছাড়াও বিভিন্ন মসলাজাতীয় উপাদানঃ 
যেমন আদা, জিরা, লবঙ্গ,এলাচ, দারুচিনি প্রভৃতি চায়ের সাথে মিশিয়ে পান করতে পারেন এবং হলুদ, পিঁয়াজ, রসুন ও কালাজিরা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করতে পারবেন । এছাড়া প্রতিদিন দুই-তিন কাপ গ্রীন টি পান করতে পারেন ।  কারণ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির গুণাবলিসমৃদ্ধ যথেষ্ট পরিমাণ উপাদান এগুলোতে রয়েছে। সর্বোপরি আক্রান্তের এ উর্ধ্ব গতির সময়ে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ও ডাবল মাক্সের যথার্থ ব্যবহার এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে । 
লেখকঃ
মোঃ জহির উদ্দিন,
অধ্যক্ষ, শাহ নিমাত্রা এস.এফ. ডিগ্রী কলেজ, ফুলতলা, জুড়ি। 

user
user
Ad
Ad