পারিবারিক শিক্ষার প্রেক্ষিত ও প্রতিক্রিয়া
আতাউর রহমান:: ১৯৮৮ থেকে ২০২১ সাল। দীর্ঘ ৩৪ বছর ব্যাপি শিক্ষকতায় আছি। একজন শিক্ষক হিসেবে অসংখ্য ডাক্তার, প্রকৌশলী, শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যাংকার-সহ অনেক পেশার প্রতিকৃৎদের স্পর্শ করার একটা গর্ববোধ আমার আছে। জীবন বদলাতে দেশে-বিদেশে অনেক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার সুযোগও হয়েছে। এই শিক্ষকতার ব্যাপ্তিকালে নানা পেশার অনেক রতি-মহারতির সান্নিধ্য লাভ করাও আমার হয়েছে। দেখেছি, কিছু কিছু ক্ষণজন্মা মানুষের জন্ম হয় বিনির্মাণের জন্য। ওরা শুধু দিতে জানে, নিতে জানে না।
এসব সূর্য-সন্তানদের কর্মের স্বীকৃতি তেমন একটা কেউ লিখেও রাখে না। এই সূর্য-সন্তানদের পাশাপাশি আরেক শ্রেণীর লোক দেখেছি, যারা "এই করেছি-সেই করেছি; আমার বাপ-দাদা এই করেছেন, সেই করেছেন" মূলক প্রচারণায় নিজেদের হালুয়ারুটির ধান্ধায় মত্ত থাকে। ওদের প্রচারণা ও বাস্তবতায় থাকে বেবাক ফারাক। ওদের আসল খবর নিলে চমকে উঠবেন, মিথ্যার বেসাতি শোনলে মাথায় হাত দেয়া ছাড়া কিছুই ফিরে পাবেন না। আর আরেক শ্রেণী আছে- যারা Give & Take পদ্ধতি অনুসরণ করে চলেন।
যা হোক, প্রতিটি বাবা-মা চায় আমার সন্তান বড় হোক, ভাল মানুষ হোক। আর প্রতিটি শিক্ষক চায় আমার শিক্ষার্থী আমার চেয়ে আরো জ্ঞানী হোক, উন্নত জীবনের অধিকারী হোক। এজন্য অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মিলনেই শিক্ষার্থীর উন্নত জীবন গড়ে উঠে। তবে কেউ কেউ যে ব্যতিক্রম, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে যেভাবেই হোক- এই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন গঠনের লক্ষ্যে মূল উদ্দেশ্যই হলো- 'তাকে' মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। আর যদি অভিভাবক এর অসৎ আয়ে কিংবা কর্ম-দোষে সন্তানটি বড় হয়ে উঠে, তবে সে সর্পরূপী হয়; সমাজের জন্য অশুভ হয়।
একজন শিক্ষক যখন কোন শিক্ষার্থীকে বিপথগামী হতে দেখেন, তখন তাঁর খুবই কষ্ট লাগে। তাই কখনো কখনো পরিবেশের স্বার্থে কিংবা তার ভবিষ্যৎ এর স্বার্থে শিক্ষকরা তাকে শাসনের আওতায় নিতেই পারেন। কারণ, যিনি শাসন করেন, তিনিই-তো সোহাগ করেন। তিনিই তাকে স্বপ্ন দেখান, শিক্ষা দেন ও পথ দেখান। এভাবেই মঙ্গল রচিত হয়।
কিন্তু এক্ষেত্রেও কতিপয় আমিত্বভাব ও প্রভাব প্রতিপত্তিবাদীরা চলেন উল্টোপথে। তারা চায় সস্থা জনপ্রিয়তা। কেউ কেউ নিজেকে লাট সাহেব ভাবেন, আবার আমিত্ববোধে আকৃষ্ট হয়ে কেউ কেউ ত্যাজ্যপুত্রের স্বীকৃতি লাভ করেন। ঘরের মানুষদের খবর রাখতে জানেন না, বাহিরে দাতা সাজার ভাব করেন। ওরা নিজের দোষ ফিরে দেখতে চায় না, নিজেকে জাহির করার লোভে ধুম্রজ্বাল সৃষ্টির পায়তারা চালায় সর্বত্র। গোলা পানির আয়নাতে নিজেদেরকে দেখতে ভালবাসে বেশি। অহেতুক সমাজ বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়; তাদেরকে আপনারা কি নামে আখ্যায়িত করবেন?
একটি পুরনো গল্প মনে পড়ে গেল:
একদা এক গ্রামে এক ছেলে ছিল। সেই ছেলেটি ছিল ভীষণ ভদ্র এবং বিনয়ী। বড়দের মুখোমুখি হলেই সুন্দর করে সালাম-আদাব দেয়। এক মুরুব্বী তার এই আদব-কায়দা দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ। কিন্তু, তাকে তিনি চিনতেন না। একদিন পথিমধ্যে তার কাছেই তার পরিচয় জানতে চাইলেন। পরিচয় পেয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, – তুমি এত আদব-কায়দা কোথা থেকে শিখলে? ছেলেটি সংক্ষেপে উত্তর দিল- "বেয়াদবের কাছ থেকে"। মুরুব্বী অবাক বিস্ময়ে জিজ্ঞাসু ছেলেটির মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। ছেলেটা মুরব্বীর চাহুনি দেখে নিজে থেকে সে ব্যাখ্যা দিয়ে বললো, –জনাব, কী করে বেয়াদব হতে হয় সেটা ছোটবেলা থেকে দেখেছি এবং শিখেছি। তাই, এখন কিছু করার সময় উল্টো কাজটি করি।
গল্পটি বলার পেছনে উদ্দেশ্য হলো এই যে, আমাদের সন্তানরা প্রতি মুহূর্তে নিত্যনতুন ঘটনা এবং বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। সেগুলোর কোনটি ভাল এবং শিক্ষণীয়। আবার কোনটি মন্দ এবং বর্জনীয়; শিশু সেই ভালমন্দ ভেদ-বিশ্লেষণ না করেই সরল মনে সবকিছুকেই স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করে। বিশেষ করে জন্মের পর পাঁচ বৎসর বয়স পর্যন্ত শিশুরা সবকিছু অসম্পাদিত (আন এডিটেড) অবস্থায় গ্রহণ করে থাকে যা খুবই উদ্বেগজনক। এক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্ব হলো শিশুকে ভালমন্দের বিষয়টি বুঝিয়ে বলা। কোনটি ভাল এবং কোনটি ভাল নয় এবং কেন ভাল বা ভাল নয় তা উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা। এখানে মনে রাখা ভাল যে, শিশুরা অনেক ক্ষেত্রেই আবেগীয় আবেদনের চেয়ে যুক্তিতে সাড়া দেয় বেশি।
একটি উদাহরণ দেয়া যাক, আপনি দেখতে পেলেন আপনার সন্তান লাঠি দিয়ে একটি বিড়ালকে সজোরে আঘাত করেছে। বিড়ালটি আর্ত চিৎকার করে ছুটে পালিয়ে গেল। আপনি আপনার সন্তানকে বলতে পারেন– বিড়ালটি ভীষণ ব্যথা পেয়েছে, তাই কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল। তোমাকে যদি এভাবে আঘাত করা হয়, তাহলে তুমি ব্যথা পাবে না? কাউকে এভাবে মারতে নেই। শিশুটি তখন বিষয়টি নিয়ে ভাববে। এ রকম উদাহরণের মাধ্যমে শিশুর মধ্যে নৈতিকতাবোধ জাগিয়ে তোলা যায় এবং তা থেকে শিশু ভালমন্দ বিচার-বিশ্লেষণ করতে শিখবে।
এর আরেকটি দিক বা প্রেক্ষিত হলো এই যে, পরিবারে, বিদ্যালয়ে, হাটে-বাজারে তথা সমাজের সর্বক্ষেত্রে শিশুরা প্রতিনিয়ত নানা ঘটনার মুখোমুখি হচ্ছে, যেগুলো থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে রাখা যাবে না। কেননা, ঐসব ঘটনাবলীর উপর আমাদের কোন হাত নেই বা নিয়ন্ত্রণ নেই। বাতাসে শতকরা ৮০ ভাগ দূষিত পদার্থ আছে বলে আমরা শ্বাস নেব না; এমনটি হতে পারে না। কেননা, বাতাসে ২০% অক্সিজেনও আছে যা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য একান্ত জরুরি। কাজেই, আমরা যা করতে পারি তা হলো- শিশুকে কোন বিষয়ের ভালমন্দ দিকগুলো বুঝিয়ে বলা, ভাল কাজের প্রতি তাকে উৎসাহিত করা এবং মন্দ কাজকে ঘৃণা করতে শেখানো। অর্থাৎ, শিশুর মধ্যে নৈতিকতাবোধ জাগিয়ে তোলা।
এক্ষেত্রে শিশুর মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা পাপ-পূণ্যের বোধ তৈরি করাও খুবই অর্থবহ এবং কার্যকর। শিশুর মধ্যে যদি একবার এই নৈতিকতাবোধ বা মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলা যায় এবং দৃঢ় ভিত্তিতে তা প্রতিষ্ঠিত করা যায়, তাহলে ঐ বোধই জীবনচলার প্রতিটি ক্ষেত্রে তাকে গাইড করবে। শিশুকে আর পাহারা দেয়ার প্রয়োজন হবে না। এ প্রসঙ্গে এ কথাটিও জরুরি যে, কোন যুক্তি বা ধারণা না দিয়েই যদি সন্তানকে শাসন করা বা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয় তাতে হিতে বিপরীত ঘটতে পারে।
পরিবারই শিশুর মৌল প্রতিষ্ঠান:
একটি মৌল প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিবার শিশুদেরকে সুষ্ঠুভাবে লালন পালন, তাদের সুন্দর অভ্যাস গঠন, তাদের আচার-আচরণে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরী করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিজ পরিবারের সদস্য অর্থাৎ বাবা-মা, ভাই-বোন ও অন্যান্য নিকটাত্মীয়ের সাথে শিশুর ব্যবহার ও আচরণ কেমন হবে তা পারিবারিক পরিবেশেই শিশুরা শিখে থাকে। এছাড়া পরিবারের বাইরের আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও পরিবার মুখ্য ভূমিকা পালন করে। শিশুদের শিক্ষার হাতে খড়ি হয় পরিবার থেকেই। বিদ্যালয়ে যাবার পূর্ব পর্যন্ত নিজ গৃহেই শিশু সমাজ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে অনেক কিছু শিখে ফেলে। শিশুর কৌতুহলী মন যা দেখে সেটা সম্পর্কে জানতে চায়। স্বাভাবিকভাবেই তার মধ্যে জানার ও চেনার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। অভিবাবকগণকে অনেক ধৈর্যের সাথে শিশুকে তার প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। তবে কোন ভুল উত্তর শিশুর মনে ভুল ধারণার সৃষ্টি করতে পারে।
এভাবেই পরিবারে শিশুরা প্রয়োজনীয় অনেক বিষয়ে সচেতনতা লাভ করে এবং একজন শিশু সামাজিক মানুষ হিসেবে বড় হয়। প্রত্যেক সমাজই শিশুর নৈতিক চরিত্র গঠন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তাকে গড়ে তোলার ব্যাপারে সচেষ্ট। নৈতিক শিক্ষা পারিবারিক শিক্ষার একটি বড় দিক। নৈতিক শিক্ষা শিশুর মধ্যে সৎ গুণাবলীর সঞ্চার করে। এসব সৎ গুণ তার ভবিষ্যত জীবনকে সুন্দর করে তোলে। তখন সে সমাজ, দেশ ও জাতিকে অনেক ভাল কিছু উপহার দিতে সক্ষম হয়, মানবতা তার দ্বারা উপকৃত হয়।
নৈতিক শিক্ষা:
সমাজিক জীব হিসেবে মানুষ কিভাবে বসবাস করবে নৈতিক শিক্ষা তাকে সে জ্ঞানই দেয়। প্রতিটি সমাজেরই একটি নীতিবোধ রয়েছে। অভিভাবকগণ সেই নীতিবোধকেই শিশুদের অন্তরে প্রজ্জ্বলিত করে দেন। শিশু যখন পরিবারের গন্ডীর বাইরে বিদ্যালয়ে যাতায়াত শুরু করে তখন শিক্ষকগণ সে দায়িত্ব পালন করেন। নৈতিক শিক্ষা যখন ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে তখন তা সহনশীলতা ও ন্যায়বোধের দ্বারা পরিচালিত হতে হবে যাতে অন্য সম্প্রদায়ের নীতিবোধে আঘাত না লাগে। কোনটা ভাল কোনটা মন্দ তা শেখানোর জন্য শিশুরকে নৈতিক শিক্ষা দান প্রয়োজন। এই শিক্ষা তার বিবেকবোধকে জাগ্রত করে। সত্য কথন, পরপোকার, দয়া, দানশীলতা, স্নেহ-মমতা, ভক্তি-শ্রদ্ধা, সহমর্মীতা, ক্ষমা, ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, সম্প্রীতি ও ভালবাসা, ন্যায়নিষ্ঠা, ভদ্রতা, শিষ্ঠতা, শালীনতা, বিনয়, সুন্দর আচরণ, এরকম আরো অনেক নৈতিক গুণ বিশ্বজনীন এবং সব ধর্ম ও সমাজেই ভাল হিসেবে স্বীকৃত ও সমাদৃত। আর এ বিপরীতগুলো মন্দ ও পরিত্যাজ্য। ধর্মীয় অনুশাসন বিশেষ করে বিশ্ব স্রষ্টাকে জানা ও তাঁর প্রতি প্রেম-ভালবাসা, ভক্তি ও শ্রদ্ধা এবং সৎকাজ দ্বারা তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন ও মন্দ কাজ দ্বারা তাঁর বিরাগভাজন প্রভৃতি বিষয়গুলো শিশু তার পরিবার থেকেই শিক্ষা লাভ করতে শুরু করে। এভাবেই পারিবারিক শিক্ষা শিশুকে ভবিষ্যতের একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকা পালন করে।
শিশুর বিষণ্ণতা:
আজকাল আমাদের পরিবারে শিশুরা বড় হয়ে ওঠছে ঠিকই, তবে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠতে পারছে না। শিশুদেরকে যেভাবে আদব-কায়দা শিক্ষা দেওয়া দরকার আমাদের উদাসীনতার কারণে তারা সেগুলো শিখতে পারে না। এছাড়া আমরা বড়রা ঘরে অনেক সময় মিথ্যাচার করে থাকি, এমনকি শিশুদের সাথেও। ফলে শিশুরা অনৈতিক কাজকে স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ করে নিজেরাও মিথ্যাচার রপ্ত করে ফেলে। আমরা তাদেরকে অনেক সময় ভাল উপদেশ দেই যা আমরা নিজেরাই পালন করি না। আমরা তাদের সাথে যেসব ওয়াদা করি তা পালন করার সময় সেই উপদেশ আমাদের মনে থাকে না। এর প্রধান কারণ আমাদের অর্থনৈতিক ব্যস্ততা।
দিনের একটা বড় সময় বাবা-মা উভয়েই অর্থের পিছনে দৌঁড়াচ্ছেন আর শিশুরা নিঃসঙ্গ পরিবেশে অথবা বুয়াদের সংস্পর্শে বড় হচ্ছে। দিন শেষে ক্লান্ত বাবা-মা ঘর-সংসারের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, শিশুর দিকে মনোযোগ দেওয়ার সময় কমই পান। ঘরে শিশুরা অনেকটা যান্ত্রিক হয়ে পড়ছে। টিভি কার্টুন, ভিডিও গেমস্, যান্ত্রিক খেলনা ইত্যাদিতেই শিশুদের বেশীরভাগ সময় কাটে। মানবিক সংস্পর্শে মানবীয় গুণগুলো তাদের মধ্যে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। টিভি কার্টুন ও ভিডিও গেমসের ফালতু বিষয়গুলো তাদের মধ্যে সঞ্চারিত হচ্ছে। ঘরে বন্দী শিশুরা নির্মল আনন্দ ও খেলাধূলার সুযোগ কম পাচ্ছে। ফলে তাদের মধ্যে বিষণ্নতা ও বিষাদগ্রস্ততা জন্ম নিচ্ছে, তাদের মধ্যে ব্যক্তিত্ব ও দৃঢ় মনোবল গড়ে ওঠছে না। সমাজ ও সংসারের সাথে তারা একাত্ম হতে পারছে না। শিশুদের সামাজিকরণ প্রক্রিয়ায় এটি একটি বড় সমস্যা। বড় হয়ে এ ধরনের শিশু দেশ ও সমাজের জন্য যথাযথ অবদান রাখতে পারে না। বরং নিজেরাই পরিবার ও সমাজের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। পারিবারিক শিক্ষার অপূর্ণতা শিশুর সুন্দর সোনালী ভবিষ্যতের জন্য সহায়ক নয়। বিষয়টি নিয়ে এখনই পদক্ষেপ নিন, আর প্রশংসনীয় হোক সকল মঙ্গল প্রয়াস।
লেখক পরিচিতি:
মাস্টার ট্রেইনার ও কলামিস্ট। প্রাক্তন সভাপতিঃ বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাব।
#প্রধান শিক্ষকঃ দাসউরা উচ্চ বিদ্যালয়।
#সহ-সভাপতিঃ বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, সিলেট।
#আহবায়কঃ বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিষদ, বিয়ানীবাজার উপজেলা।
- সিলেটের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল দ্রুত চালু করে ১২শ শয্যায় উন্নীত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে MS3 টেকনোলজি বিডি পরিবারের ঈদ শুভেচ্ছা
- এবার এফ-৩৫ জঙ্গি বিমানে ইরানি আঘাত
- শুধু সামরিক শক্তির মাধ্যমে ইরানের মোকাবিলা সম্ভব নয়: মুজতাবা খামেনেয়ী
- ইরানে সম্ভাব্য হামলার পরিণতির বিষয়ে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
- একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- রমজান মাসই বন্ধ থাকছে মাধ্যমিকসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা
- যুদ্ধ, বিভাজন ও অনিশ্চয়তা: বহুমুখী সংকটে ইসরায়েল
- পুরো রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ
- হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান
- বিজেপি-আরএসএসের বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় উইকিপিডিয়া
- আসামে তীব্র শীতের মধ্যেই ১৫০০ মুসলিম পরিবারের ঘর গুঁড়িয়ে দিল ভারত
- নুতন বই পেয়ে উচ্ছাসিত রাঙামাটির শিক্ষার্থীরা
- সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে খালেদা জিয়ার মরদেহ
- আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আর নেই
- শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান
- জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি জানিয়ে নাহিদকে এনসিপির ৩০ নেতার চিঠি
- পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরশাসনের পতন
- তারেক রহমানের বহনকারী প্লেন নামল সিলেটে

