সুনামগঞ্জের বেতগঞ্জবাজারে লকডাউনের মধ্যেও চলছে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক :: করোনা মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীরদের নিরাপত্তা বিবেচনা করে দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানোর বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ সারাদেশে ভয়াবহ মাত্রায় ছড়িয়েছে। সরকার ৫ থেকে ১১ এপ্রিল লকডাউন ঘোষনা করেছে। চারদিকে নীরব আতঙ্ক বিরাজমান। মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। সব কিছুতে বিধি নিষেধ আরোপ হচ্ছে। বন্ধ হচ্ছে পর্যটন, বিনোদন কেন্দ্রসহ সব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
এতো কিছুর মাঝেও সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার বেতগঞ্জ বাজারে সরকারের দেয়া নির্দেশনা অমান্য করে কিছু কলেজ শিক্ষার্থী চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং ও প্রাইভেট বাণিজ্য। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঠেলে দিচ্ছেন বিপদের মুখে।
স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেতগঞ্জবাজারের পাশেই রয়েছে চরমহল্লা উচ্চ বিদ্যালয় ও আশে পাশে কিছু কিন্ডার গার্ডেন স্কুল রয়েছে। করোনা মহামারীর কারনে গত এক বছর যাবৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও প্রায় সময় দেখা যায় শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস পড়ে ও কাধে ব্যাগ করে বাজারে এসে বিভিন্ন জায়গায় যায় কোচিং ও প্রাইভেট পড়তে।
এ ব্যাপারে চড়মহল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসুক কুমার পাল এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার প্রতিষ্টান বা প্রতিষ্টানের কোন শিক্ষক কোন কোচিং সেন্টারের সাথে যুক্ত বা বাজারের কোথাও প্রাইভেট পড়ান না। আমরা সরকারের সব নির্দেশনা মেনে চলছি। তবে শুনেছি এলাকার স্থানীয় কিছু কলেজ শিক্ষার্থীরা বাজারে বিভিন্ন জায়গায় প্রাইভেট ও কোচিং পড়ান। এ ব্যাপারে আমাদের কিছু করার নেই।
সরজমিনে দেখা যায়, বেতগঞ্জ বাজারের মসজিদ মার্কেটের বিপরীতে - রাস্তার মুখে এলাকার দুই কলেজ শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাাম ও আলমগীর নামে দুজনে মিলে খুবই ছোট একটি রুম ভাড়া নিয়ে সেখানে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ব্যাচ করে প্রাইভেট ক্লাস নামে ক্লাস নেন। যেখানে ২৫-৩০ জন শিক্ষার্থীরা মিলে জড়ো হয়ে ক্লাস করেন। বিনিময়ে তাদের কে দিতে হচ্ছে প্রচুর টাকা।
জানা যায়, সরকারের দেয়া নিয়মনীতির কোন তোয়াক্কা না করেই অনেক দিন যাবত ভাড়া নেওয়া ছোট্ট ঘরেই প্রাইভেট চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। এমন কি লকডাউনের মাঝে সব কিছু বন্ধ থাকলেও তারা প্রাইভেট বন্ধ করেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বাধা দিলেও বাধা উপেক্ষাকরে চালাচ্ছেন প্রাইভেট। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ফেলছেন হুমকির মুখে ।
স্থানীয়রা জানান- সরকার যেখানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্টান খুলতে ভয় পাচ্ছে, সেখানে তাদের অসেচেতন ভাবে সামাজিক দুরুত্ব বজায় না রাখে-তাদের প্রাইভেট ক্লাস নেওয়া মেনে নেয়া যায়না। অচিরেই তা বন্ধ করা হউক।
এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও চরমহল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব- নূরুল হক সাহেবের সাথে কথা বললে, তিনি বলেন- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোন প্রাইভেট বা কোচিং হচ্ছে না। আমরা সরকারের নির্দশনা মেনে সেগুলো বন্ধ রেখেছি। তবে- বাজারে যারা প্রাইভেট ও কোচিং নামে ক্লাস নিচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদেরকে ঝুকিতে ফেলছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং এগুলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বন্ধ করা হবে।
- টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথকীকরণ কর্মসূচী
- নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আসা পুরোপুরি বন্ধ
- ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলা সম্পর্কে যা জানা গেল
- যে কারণে বার্সার প্রস্তাব ফিরিয়ে ইন্টারেই থেকে গেলেন লাউতারো
- দেশের বাজারে আবারও বাড়লো সোনার দাম
- মিশরে বাস উল্টে ২২ জনের মৃত্যু
- নোয়াখালীকে বিভাগ করার দাবি, সংসদে যা বললেন ডেপুটি স্পিকার
- বড়লেখায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সেমিনার অনুষ্ঠিত
- সীমান্তে মানুষ মারতে কুমির ও বিষধর সাপ ছাড়ছে ভারত
- এবার যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক বন্যার তাণ্ডব, নিখোঁজ অনেকে
- নোয়াখালীকে বিভাগ করার দাবি, সংসদে যা বললেন ডেপুটি স্পিকার
- সীমান্তে মানুষ মারতে কুমির ও বিষধর সাপ ছাড়ছে ভারত
- এবার যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক বন্যার তাণ্ডব, নিখোঁজ অনেকে
- বিদেশে পাচার বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন সিস্টেম
- দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কে এই আইরিন খান
- জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
- আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)
- ওসমানীনগরে ট্রাংক লরির চাপায় নিহত ৪
- হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান

