ধর্ষণ প্রতিরোধে ইসলামের নির্দেশনা
মোঃ আবদুল গনী শিব্বীর:: মানব সমাজে ধর্ষণ বা ব্যভিচার সামাজিক ঘৃণ্য অপরাধ হিসেবে পরিগনিত। সাধারন ভাবে ধর্ষন বলতে বুঝায়, নারী বা পুরুষ যে কোন একজনের অমতে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক স্থাপন করাকে। তবে আমরা যে সমাজে বাস করি তার পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষনের শিকার শুধুমাত্র নারীরা। কিন্তু আমাদের এই ধারণা পুরোপুরিভাবে ‘ধর্ষণ’-কে সংজ্ঞায়িত করে না।
দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ‘ধর্ষণ’-কে যেভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে তা হলোঃ যদি কোন পুরুষ নিম্নবর্ণিত পাঁচ প্রকারের যে কোন অবস্থায় কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করে তবে সে ব্যক্তি নারী ধর্ষণ করেছে বলে গণ্য হবে-
১. কোনো নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অথবা ২. কোনো নারীর সম্মতি ছাড়া অথবা ৩. কোনো নারীকে মৃত্যু বা শারীরিক আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি দিতে বাধ্য করলে অথবা ৪. নাবালিকা অর্থাৎ ১৬ বছরের কম বয়স্ক শিশু সম্মতি দিলে কিংবা না দিলে (সে যদি নিজ স্ত্রীও হয়) অথবা ৫. কোনো নারীকে বিয়ে না করেই ব্যক্তিটি তার আইনসঙ্গত স্বামী এই বিশ্বাস দিয়ে যদি কোনো পুরুষ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে আইনের ভাষায় ধর্ষণ বলা হবে । বখে যাওয়া একদল চরিত্রহীন ব্যক্তিদের দ্বারা সমাজের অবলা নারী ও শিশুরা ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়।
ধর্ষণ বা ব্যভিচারকে ইসলামী পরিভাষায় যেনা বলে। বিবাহ বহির্ভুত যৌন সম্পর্ক চাই তা মতে হোক বা অমতে হোক শরীয়াতের বিধান মোতাবেক সেটি যেনা বা ব্যভিচার হিসেবে বিবেচিত হবে। ইসলামে বিবাহ বহির্ভুত যে কোন ধরণের যৌন সম্পর্ক ও অশ্লিলতা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তথা হারাম। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন- “তোমরা ব্যাভিচারের কাছে ও যেওনা নিশ্চয় তা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ” (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত-৩২)। তিনি আরো বলেন- “লজ্জাহীনতার যত পন্থা আছে এর নিকটে ও যেওনা তা প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে হোক” (সুরা আনআম, আয়াত-১৫১)।
বর্তমানে বাংলাদেশে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানীর ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসলাম ব্যাভিচার রোধে যে সকল প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নির্ধারণ করেছে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা না করা এর অন্যতম কারণ। ইসলাম প্রতিরোধ মূলক যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তার কতিপয় দিক আলোচনা করছি- যেনা বা ধর্ষণ ব্যভিচার মহাপাপ, মৃত্যুর পর তার জন্য কঠিন শাস্তি প্রদান করা হবে এ বিষয়ে কুরআন ও হাদীসে যে সকল বর্ণনা রয়েছে শিক্ষক, ইমাম ও মিডিয়ার মাধ্যমে তা প্রচার করে ব্যাভিচার প্রতিরোধে ভুমিকা রাখতে হবে।
মুলতঃ দেখা থেকে যৌন কামনার সৃষ্টি হয় এজন্য ইসলাম নারী পুরুষ উভয়কে দৃষ্টি নত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। পবিত্র কোরআন মাজীদে আল্লাহ বলেনঃ মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুপুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। (সুরা অান নুরঃ অায়াতঃ ৩০- ৩১)। আলোচ্য আয়াতে যে বিষয় সমুহের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে তা হলো,
ক. দৃষ্টিকে অবনমিত রাখা
খ. যৌনাঙ্গের হেফাজত করা
গ. নারীরা নিজেদের রূপ সৌন্দর্য্য কে স্বামী ব্যতিত অন্যদের নিকট প্রকাশ না করা
ঘ. নারীগণ মস্তক ও বক্ষদেশকে ওড়না দ্বারা ঢেকে রাখা
ঙ. নারীগণ পথ চলার সময় জোরে পদচারনা না করা।
এছাড়াও মহরম ( যাদের সাথে বিবাহ বৈধ নয়) তারা ব্যতীত বিনা প্রয়োজনে অন্যদের সাথে কথা বার্তা না বলা ও দেখা সাক্ষাত না করতে উৎসাহিত করা। এ ক্ষেত্রে পরিবারকে যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।
নারী পুরুষদের পর্দা বিহীন অবাধ মেলমেশার কারনে সমাজে ধর্ষণ বা ব্যভিচারের মহামারী ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। নবী (স.) বলেন- নির্জনে কোন নারী পুরুষ একত্রিত হলে তাদের মধ্যে তৃতীয় জন হয় শয়তান (অর্থাৎ শয়তান তাদেরকে পাপের দিকে উৎসাহিত করে, তিরমিযি)। কর্মক্ষেত্রে, শিক্ষা ক্ষেত্রে ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে। নারী পুরুষের পরস্পর আকর্ষণ চিরন্তন। অবাধ মেলামেশার সুযোগে বেশির ভাগ দুর্ঘটনা ঘটে।
অশ্লীল যৌন উত্তেজক গান ধর্ষণকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে বিশেষ ভুমিকা রাখে। এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ গান হলো যেনা বা ব্যভিচার এর মন্ত্র। অশ্লীল যৌন সুঁড়সুঁড়ি দেয় এমন গানকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
বিবাহ বহির্ভুত অবৈধ প্রেম ভালোবাসা, লিভটুগেদার, পরিণয় সম্পর্কের কারনে ধর্ষণ । অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। উপযুক্ত বয়সে নারী পুরুষের বিবাহ সম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত বিষয়টা মোকাবেলা করা যায়। বিবাহ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে এসেছে। প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেছেন- “হে যুব সম্প্রদায়! তোমাদের মাঝে যারা বিয়ে করতে সক্ষম তারা যেন বিয়ে করে নেয়। কারণ বিয়ে দৃষ্টি অবনত রাখতে এবং গুপ্তাঙ্গের পবিত্রতা রক্ষায় অধিক সহায়ক আর যে বিয়ে করতে সক্ষম নয় সে যেন রোযা রাখে। কেননা রোযা তার যৌন ক্ষুধাকে দমিত করবে।” (বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ) সাহাবী আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন- মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন- যে ব্যক্তি পূত-পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করতে চায় সে যেন, বিয়ে করে স্বাধীন নারীকে।( ইবনে মাজাহ)। শারীরিক, মানসিক ও চারিত্রিক শুদ্ধতা, পবিত্রতা এবং স্থিতিশীলতার জন্য যুবকদেরকে বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ করালে ধর্ষণের মহামারি কমে যাবে।
মাদক সকল প্রকার অপরাধ ও অশ্লীলতার জননী। মাদকের ছোবলে দিশেহারা যুবকরাই ইচ্ছায় অনিচ্ছায় ধর্ষণে মেতে উঠে। ধর্ষণ মহামারির পিছনে মুলতঃ অপ্রতিরোধ্য মাদক অাগ্রাসনই দায়ী। মাদকমুক্ত সমাজ ও মাদকের আগ্রাসন হতে রক্ষা পাওয়া যুব সমাজই নারী ও শিশু ধর্ষণ ও নিপীড়ন এর বিরুদ্ধে জেগে উঠতে পারে। মাদক নিয়ন্ত্রন, মাদক সরবরাহকারী, সেবনকারীদের নিয়ন্ত্রন করতে পারলে সমাজে ধর্ষণ কমে যাবে। মাদকের বিষয়ে পবিত্র কুরআনের বর্ণনা, আল্লাহপাক বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনরা, নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, প্রতিমা-বেদি, ভাগ্যনির্ধারক তীরগুলো নাপাক। এগুলো শয়তানের কর্ম। সুতরাং তোমরা তা পরিহার করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও।’ (সুরা মায়েদাঃ আয়াতঃ ৯০)
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ মদপান, তা ক্রয়-বিক্রয় ও এর বিনিময় হারাম করেছেন।’ (মুসনাদে আবি হানিফা, হাসকাফির বর্ণনা, হাদিসঃ ৩৫) মুয়াবিয়া (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মদপান করে, তাকে চাবুকপেটা করো। যদি সে চতুর্থবার মদপানে লিপ্ত হয়, তাহলে তাকে মেরে ফেলো।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি) হাদিসে ইরশাদ হয়েছে : রসুলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন : ‘তোমরা মদপান থেকে বেঁচে থাকো। কারণ এটি যাবতীয় অপকর্মের চাবি।’ (মুস্তাদরাকে হাকেম)।
পবিত্র কুরআন ও হাদীসে ধর্ষণ বা ব্যভিচারের শাস্তি সম্পর্কে যে নির্দেশা রয়েছে তা হলোঃ আল্লাহপাক বলেনঃ ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। (সুরা আন নুরঃ আয়াতঃ ২)
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘অবিবাহিত নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে শাস্তি ১০০ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর। আর বিবাহিত পুরুষ-নারীর ক্ষেত্রে ১০০ বেত্রাঘাত ও রজম তথা পাথর মেরে মৃত্যুদন্ড।’ (মুসলিম শরীফ)
হজরত ওয়াইল ইবনে হুজর (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে এক মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হলে তিনি ধর্ষিতাকে কোনোরূপ শাস্তি দেননি, তবে ধর্ষককে হদের (কোরআন-হাদিসে বহু অপরাধের ওপর শাস্তির কথা আছে। এর মধ্যে যেসব শাস্তির পরিমাণ ও পদ্ধতি কোরআন-হাদিসে সুনির্ধারিত তাকে হদ বলে) শাস্তি দেন।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ)
অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, ‘একদা সরকারি মালিকানাধীন এক গোলাম গনিমতের পঞ্চমাংশ পাওয়া এক দাসীর সঙ্গে জবরদস্তি ব্যভিচার (ধর্ষণ) করে। এতে তার কুমারিত্ব নষ্ট হয়ে যায়। তখন হজরত ওমর (রা.) ওই গোলামকে বেত্রাঘাত করেন এবং নির্বাসন দেন। কিন্তু দাসীটিকে সে বাধ্য করেছিল বলে তাকে বেত্রাঘাত করেননি। ( সহীহ বুখারি) উল্লেখ্য যে, ধর্ষিতা নারীর উপর কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত শাস্তি কার্যকর হবেনা কেননা ধর্ষিতা মাজলুম। যদি কোন নারী ধর্ষনের শিকার অবস্থার প্রতিরোধ গড়ে না তোলে বিষয়টাকে স্বাভাবিক মেনে নেয় তা হলে শরীয়াতে সেও সমান অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবে।
এমতাবস্থায় তার উপরও শরীয়াতের শাস্তি কার্যকর হবে। আর যদি কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হয়, তাহলে তার সর্বপ্রথম করণীয় হলো, সম্ভব হলে তা প্রতিরোধ করবে। এমনকি যদিও তা ধর্ষণকারীকে হত্যা করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে, তাতেও ইসলাম সায় দিয়েছে। এ সম্পর্কে ইমাম আহমদ (রা.) এক নারীর ব্যাপারে বলেন, ‘যদি সেই নারী জানতে পারে যে, এই ব্যক্তি তাকে উপভোগ করতে চাচ্ছে আর আত্মরক্ষার্থে মেয়েটি তাকে মেরে ফেলে; তবে সেই নারীর ওপর কোনো দায় আসবে না।’ আল মুগনি।
পরিশেষে বলতে চাই, ধর্ষণমুক্ত সমাজ গড়তে হলে ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমুলক কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে, সকল প্রকার মাদক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নারীপুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ করতে হবে, অশ্লীল গান, ছায়ছবি, নাটক, পর্ণো ছবি, পর্ণোসাইট কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে, ইসলামী অনুশাসনে জীবন পরিচালনার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে, সকল মিডিয়ায়, শিক্ষাঙ্গনে, মসজিদ মন্দিরে একযোগে সকল অপরাধ বিশেষভাবে ধর্ষণের বিরুদ্ধে ধর্মীয় নির্দেশনা প্রচার করতে হবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমুহকে দায়িত্বশীল ভুমিকা যথাযথভাবে পালন করতে হবে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক অান্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আল্লাহপাক আমাদেরকে শান্তিময় সুখ সমৃদ্ধ সমাজ গড়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।
লেখকঃ প্রভাষক, নোয়াখালী কারামাতিয়া কামিল মাদরাসা।
- সিলেটের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল দ্রুত চালু করে ১২শ শয্যায় উন্নীত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে MS3 টেকনোলজি বিডি পরিবারের ঈদ শুভেচ্ছা
- এবার এফ-৩৫ জঙ্গি বিমানে ইরানি আঘাত
- শুধু সামরিক শক্তির মাধ্যমে ইরানের মোকাবিলা সম্ভব নয়: মুজতাবা খামেনেয়ী
- ইরানে সম্ভাব্য হামলার পরিণতির বিষয়ে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
- একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- রমজান মাসই বন্ধ থাকছে মাধ্যমিকসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা
- যুদ্ধ, বিভাজন ও অনিশ্চয়তা: বহুমুখী সংকটে ইসরায়েল
- পুরো রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ
- হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান
- বিজেপি-আরএসএসের বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় উইকিপিডিয়া
- আসামে তীব্র শীতের মধ্যেই ১৫০০ মুসলিম পরিবারের ঘর গুঁড়িয়ে দিল ভারত
- নুতন বই পেয়ে উচ্ছাসিত রাঙামাটির শিক্ষার্থীরা
- সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে খালেদা জিয়ার মরদেহ
- আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আর নেই
- শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান
- জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি জানিয়ে নাহিদকে এনসিপির ৩০ নেতার চিঠি
- পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরশাসনের পতন
- তারেক রহমানের বহনকারী প্লেন নামল সিলেটে

