`

গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইসরাইলি হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩

অনলাইন ডেস্ক ::
  • Views: 620
  • Share:
অক্টোবার ২৯, ২০২৫ ১৪:৩১ Asia/Dhaka

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের নতুন হামলা, আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ইসরায়েলি সেনারা গাজার বিভিন্ন স্থানে তীব্র বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে অন্তত ৬৩ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। নিহতদের মধ্যে ২৪ জন শিশু। এই হামলা প্রাথমিকভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর উপত্যকায় সবচেয়ে বড় সহিংসতার ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আহত হয়েছে অন্তত ৫০ জন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন। গাজার আবহাওয়া ও স্থাপত্য পরিস্থিতি যুদ্ধক্ষেত্রের মতো হয়ে উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার সকাল, যখন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দক্ষিণ রাফাহ এলাকার গোলাগুলির ঘটনার পর সেনাদের জোরালো হামলা চালানোর নির্দেশ দেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এই হামলাকে গাজার সবচেয়ে বড় সহিংসতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। হামাসের সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেড ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ করেছে এবং নিখোঁজ ইসরায়েলি জিম্মিদের মরদেহ হস্তান্তর স্থগিত করেছে।

হামলার সময় গাজার আল-শিফা হাসপাতালের পেছনে ক্ষেপণাস্ত্র পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের শব্দ অনেক দূর থেকে শোনা যায়। আহতদের উদ্ধার করতে রাতভর তল্লাশি ও ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চালানো হয়। হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েলের এই নতুন হামলা জিম্মিদের মরদেহ উদ্ধারে শুরু হওয়া তল্লাশি ও খনন কার্যক্রম ব্যাহত করবে। গাজার সরকারি গণমাধ্যম জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য সুহাইল আল–হিন্দি বলেছেন, সংস্থাটি চুক্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং ইসরায়েলের মিথ্যা অভিযোগ বন্ধ হওয়া উচিত। তিনি আরও জানান, জিম্মিদের মরদেহ উদ্ধারে যে দেরি হচ্ছে, তার পুরো দায় ইসরায়েলি বাহিনীর। দুই ইসরায়েলি জিম্মি—আমিরাম কুপার ও সাহার বারুচের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। তথ্যসূত্র : আল–জাজিরা

user
user
Ad
Ad