বেগুনি রঙা জারুল ফুল
ফাহমিদা ফাম্মী:: ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। সিলেটের বৃষ্টি নতুন কিছু নয়। খুব স্বাভাবিক কিছু বলা যায়। আজকে ক্যাম্পাসে আসলাম প্রায় ১২ বছর পর। বারো বছর খুব বেশি সময় মনে হচ্ছে না। কিন্তু অংক বলে বারো বছর অনেক সময়। ক্যাম্পাসটা আর আগের মত নেই। অনেক কিছুই বদলে গেছে। কালো রঙের একটা ওয়েট লেস কাতান শাড়ি পরে এসেছি, আমার মনে পরছে যখন স্টুডেন্ট ছিলাম তখন এই সব কাতানের অনেক কদর। কারো একটা বিয়ের দাওয়াত পেলে হল শুদ্ধ সবাই চলে যেতাম বিয়ে খেতে। কিন্তু বিয়ে খেতে যেতে হলে তো বিশেষ শাড়ি বাঁ জামা লাগে। আমাদের সময় ওত ঠাট বাট ছিল না। এক জন যদি একটা কেউ দামী শাড়ি কিনত হলের সবারই সেই শাড়ি একবার করে পরা হয়ে যেত।
গোল চত্বরে গাড়ি থেকে নামতেই রোকসার সাথে দেখা! খুব কাছের বান্ধবী ছিল রোকসা আমার! কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই বন্ধুত্ব টিকেনি। হলে আমরা পাশাপাশি থাকতাম। একই রুমে থাকার সুবিধা থাকলেও আমরা এক রুমে উঠতাম না। অনেক আপুদের কাছে শুনেছিলাম রুমমেট হলে নাকি বন্ধুত্ব টেকে না। এই কথাটা যদিও তেমন ভাবে সত্য না। অবশ্য আমাদের বন্ধুত্ব এমনিও টেকে নাই।
আমাকে দেখে রোকসা এগিয়ে এলো। নিতু কেমন আছো?
ভালোই তুই কেমন আছিস? আর আমাকে তুমি করে বলছিস কেন?
রোকসা বলল না রে এমনই মুখে তুমি চলে এল। আমি ভালোই। শুনলাম বর সহ্ এসেছিস?
নাহ সে এখনো আসে নি। আসবে হয়ত, রুমে রেখে এসেছি। আমার শাশুড়িও এসেছেন আমাদের বাচ্চা গুলো খুব দুষ্ট এতই দুষ্ট এখানে এত ভিড়ের মধ্যে নিয়ে এলে কোথায় না কোথায় যে হারিয়ে যায় তাই সাহস করতে পারিনি। আর ও রেডি হয়ে এক বন্ধুর ওখানে যাবে তারপর হয়ত আসবে। তোর বর কই?
সে তো আমেরিকায়। পাঁচ বছর ধরে চেষ্টা করেই যাচ্ছে করেই যাচ্ছে কিন্তু আমাকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। কি না কি ভিসায় সমস্যা। ওহ। চল আগাই...
আমি আর রোকসা হাঁটছি। আমাদের দুইজনের দুরত্ব ওতটা না যতটা মনের। সম্পর্ক গুলো খুব ঠুনকো একবার ভেঙে গেলে আর জোড়া লাগতেই চায় না।
হাঁটতে হাঁটতে হঠাত রোকসা বলে উঠলো তার যেন কি গেটে একটা দোকানে ফেলে এসেছে। এক্ষনি আনতে হবে।
আমি বললাম যা নিয়ে আয় আমি বসছি। সে বলল না থাক তুই সামনে যা পরে দেখা হবে।
রোকসা চলে গেলো। আমি বুঝলাম সে মিথ্যা বলছে কেন বলছে তাও বুঝলাম আমাকে সে নিতে পারছে না। যাহোক তাকে যেতে দিলাম। কথা বাড়ালাম না।
ঘড়িতে তখন পাঁচটা বাজে প্রোগ্রাম শুরু সন্ধ্যা ছয়টায় এখনো হাতে এক ঘণ্টার মতো সময় বাকি। বাংলাদেশের কোন প্রোগ্রাম সময় মত শুরু হয় না। একটু না একটু দেরী এখানে হবেই।
বসলাম ক্যাফেটেরিয়াতে। এই ক্যাফেটেরিয়াতে কত কত সময় পার করেছি আমি আর মাসুম তার ইয়াত্তা নেই। মামা এসে জিজ্ঞেস করলেন কি খাবেন মামা? চা না কফি?
আমি বললাম বারেক মামা কোথায়? উনাকে দেখছি না যে?
আব্বা তো মারা গেছেন সেই ছয় বছর আগে। আব্বা মারা যাওয়ার পর থেকে আমি এখানে কাজ করতেছি মামা।
ও আচ্ছা ঠিক আছে, কফি চা হবে? সেই স্পেশাল কফি চা?
হ মামা হবে। এক্ষনি নিয়ে আসছি। আচ্ছা শোনেন মামা এক কাপ না দুই কাপ দেবেন অনেক দিন খাই না। এক সাথে দুই কাপ খাবো।
উহু মামা দুই কাপ না চার কাপ দেবেন, আমিও অনেক দিন খাই না। ক্যাম্পাস লাইফের সবচেয়ে প্রিয় বান্ধবীর পাশে বসে দুই কাপ কফি চা খেতে চাই। আমি অবাক হয়ে পেছন ফিরে তাকালাম। মাসুম এসেছে। সেই মাসুম আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু মাসুম।
কখন এলে?
এইতো একটু আগে। সেন্ট্রালে গিয়েছিলাম রোকসা কে দেখে জিজ্ঞেস করলাম নিতু কই সে বলল ক্যাফেটেরিয়ার দিকে গেছে। এই কথা বলে আবার আমাকে বলছে আমি যেন কোন ভাবেই তোমাকে না বলি সে যে সেন্ট্রালে আছে। হা হা হা
আজব তো একজনের কথা রাখলে না অথচ এখন হাসছ?
হাসবো না? দেখো রোকসা কিন্তু একদম চেঞ্জ হয় নাই!
হুম... আর আমি?
দাড়াও দেখে নেই।
নাহ দাড়াঁতে পারবো না। বসে আছি এভাবে দেখেই বল আমি কতটুকু চেঞ্জ হয়েছি!
ওকে বাবা ওকে। দাড়াতে হবে না। তুমি আগের চেয়ে একটু মোটা হয়েছ। তবে মোটা হওয়াতে তোমাকে অনেক সুন্দরী লাগছে। আর তুমি তো জানোই কালো রং আমার কত পছন্দ।
হুম আর তোমার বেগুনী রঙের শার্টে তোমাকে মানিয়েছে ভালোই।
হুম মানাবে না? তোমার পছন্দের রং তো!
হুম তা বটে। বাই দা ওয়ে। তোমার বউ কই?
তাকে রেখে এসেছি। সাজতে সাজতে তার সাজগোজ আর শেষ হয় না। এক এক বার এক এক লিপস্টিক বদলায় আর বলে দেখো তো মাসুম আমাকে মানাচ্ছে কি না? তুমিই বল নিতু? আমি কি রং এত বুঝি? কালো লাল আর বেগুনী এই তিনটা রঙই আমি ভালো ভাবে আইডেন্টিফাই করতে পারি অন্য গুলো কিন্তু একদম পারি না।
হুম এটা তো আমি জানি তোমার বউ কি জানে না?
জানে বাট তবুও তার কথা হচ্ছে আমার রং চিনতেই হবে...
ওহ। আচ্ছা নিতু হলের দিকে গিয়েছিলে?
নাহ যাইনি। তবে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। চল তাহলে হলের দিকে যাই?
আগে দুইকাপ তো শেষ করো?
নাহ আর খাবো না। আগের স্বাদ এখন আর নাই...
আমি আর মাসুম হাঁটছি... এখন শ্রাবণ মাস... অনেক কদম ফুল ফুটেছে. শ্রাবণে কদম আর জারুল ফুলে বিশ্ববিদ্যালয় ছেয়ে যায়। ক্যাম্পাসটাকে ফুলের রাজধানী মনে হয়।
মাসুম আমাকে বলল দেখো নিতু কত কত কদম ফুল!
হইছে থাক। আর দেখাতে হবে না... দেখে কি হবে? দিয়েছ একদিনও?
নাহ দেই নাই... দেখ যদি আমি গাছে উঠি আর পা পিছলে পরি, তারপর আমাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে ডাক্তার বলবেন পা ভেঙে গেছে... কত কত খরচ, তার চেয়ে তোমাকে গোলাপ এনে দেব! কি বল?
হইছে হইছে অনেক অনেক বার এই গল্প শুনেছি আর না থাক... আমার এখন কদম ফুল দেওয়ার মানুষ আছে তোমার আর লাগবে না...
মাসুম একটু চুপ হয়ে গেলো... আমি আবার কথা বাড়ালাম। মাসুম তোমার শুঁটকি চাটনির কথা মনে আছে?
সিলেটি ঝাল ঝাল চাটনি? ঐ যে ভোর রাতে আমার ঝাল খেতে ইচ্ছা হচ্ছিল আর তুমি হলের নিচে এসে আমাকে ঐ যে শুঁটকি ভর্তা খাইয়েছিলে সেটার কথা বলছ?
হুম...
আর না বাবা এত ঝাল ছিল যা খেয়ে আমি তিন দিন প্রায় ওয়াস রুমেই ছিলাম?
শুধু ঐ শুঁটকি খেয়েই হয়েছিল? নাকি...
কথা বলতে বলতে নিজেকে সংযত করলাম। কি বলছি আমি। এত দিন পর ঐ দিনটার কথা কেনই বাঁ মনে করছি!
মাসুম খুব স্বাভাবিক ভাবে। কথাটা নিয়ে অট্ট হাসি দিলো। আর বলল আরে ধুর... প্রেমিকার প্রথম চুম্বনে যদি পেট খারাপ হত তাহলে শত শত প্রেমিক ডায়রিয়া হয়ে পিচঢালা রাস্তায় মরে পরে থাকতো।
আমি বললাম চল গাছটার নিচে একটু বসি?
হুম চল...
জানো নিতু? সেদিন ভোরে কি ঝড় হয়েছিল?
কোন দিন?
যেদিন তোমার বিয়ে ঠিক হয়েছিল? সকাল থেকে আমি রাস্তায় হাঁটছিলাম আমার পাঞ্জাবীর পকেটে তোমার দেওয়া সেই প্রেমের শেষ চিঠি...
হুম... আর আমি পুরো রাত না ঘুমিয়ে করিডোরে বারান্দায় দাড়িয়ে ছিলাম। ঝড় যতটা না বাইরে হচ্ছিল তার চেয়ে বেশি হচ্ছিল আমার ভেতরে।
আচ্ছা রোকসা এই কাজ টা কেন করলো? কেন সে তোমার বাবার কাছে গিয়ে বলল, আমরা অবৈধ ভাবে এক সাথে থাকছি? কেন বলল আমি খুব খারাপ ছেলে কখনোই তোমাকে সুখী করতে পারবো না?
রোকসা তোমাকে পছন্দ করত মাসুম...
এ কেমন পছন্দ? যেখানে একটা মানুষের এতটা ক্ষতি করা যায়?
জানি না... চল আজ দুজনে রোকসাকে ক্ষমা করে দেই। বেচারি ভালো নেই... তার সম্পর্কে খবর পেলাম তার বর টা একটা বাজে লোক আমেরিকাতে আরও একটা বউ তার আছে। দুইটা বাচ্চাও নাকি আছে। আজকে জানো বরের কথা জিজ্ঞেস করার পর কেমন যেন উত্তর দিলো। আমাকে লুকিয়ে গেলো সব কথা।। সে তো জানেই না। আমার সবচেয়ে কাছের বান্ধবীটার সব খবর আমি রাখি...
আচ্ছা চল একটু পড়ে বাদাম কিনে তার সামনে যাই এবং তাকে বলি চল আবার সবাই বন্ধু হয়ে যাই... যা ভুল ত্রুটি ছিল সব মাফ হয়ে যাক আজ... অবশ্য নিতু ভালোই হয়েছিল তার মিথ্যা বলায়... আমি তো ভালোই আছি... তুমি ভালো নেই? বল ভালো নেই?
আমি তাকিয়ে আছি মাসুমের দিকে... হালকা হালকা পাক ধরেছে চুলে অথচ মানুষটা সেই আগের মতই আছে...
আচ্ছা নিতু তোমার ছেলে মেয়ে কয়টা?
দুইটা, ছেলে টা ক্লাস সিক্সে পড়ে আর মেয়েটা ক্লাস ফোরে...
অহ অনেক ছোট... তোমার ছেলে মেয়ে কয়টা?
আমারও এক ছেলে এক মেয়ে... মেয়েটা জানো আমাকে ছাড়া কিছু বুঝতেই চায় না। আজকে দেখ আসতেই দেবে না আসতেই দেবে না। বলে কি না মা গেলে যাক তুমি যাবে না বাবাই তুমি যাবে না...তারপর খায়িয়ে ঘুম পাড়িয়ে তারপর আসলাম... আচ্ছা নিতু তোমার মনে আছে? আমরা যে মেয়ের নাম ঠিক করেছিলাম? মৃদু? কি সুন্দর নাম! শুনলেই মনের মধ্যে একটা ছোট্ট কাপন ওঠে!
হুম মনে আছে তো... শুধু মেয়ের নাম ঠিক করেছিলে তুমি, কিন্তু আমার পছন্দ ছিল ছেলে বাচ্চা। তুমি তার নাম ঠিক কর নি দেখে আমি সে কি রাগই না করেছিলাম মনে পরে।
পরবে না আবার... দুই দিন কথাই বল নি তুমি আমার সাথে ...
আচ্ছা মাসুম একটা কথা জিজ্ঞেস করি?
হুম অফ কোর্স।।
তোমার বউ কি আমার চেয়ে সুন্দরী?
আগে বল কোন তুমি? আগের তুমি না এখনের তুমি?
অবশ্যই আগের আমি...
হুম আগের তুমির চেয়ে অবশ্যই সুন্দরী...
আর এখনের?
মাসুম হাসছে এক রহস্য জনক হাসি...
আমার রাগ হল। আমার কথায় হাসার কি আছে?
আরে এমনই হাসলাম... তোমার বরের কথা বল। সে কেমন মানুষ?
অনেক কেয়ারিং। অনেক ভালোবাসে আমাকে।। জানো তো আমি তার সাথে রাগ করে থাকতেই পারি না।
তাই নাকি?
হু তাই তো...
এহ হে। নিতু তাড়াতাড়ি চল। প্রোগ্রাম তো শুরু হয়ে গেলো...
একটা রিকশা নিলাম... বহু দিন পর ক্যাম্পাসে রিকশায় উঠলাম। সেই যে গিয়েছিলাম এই আজ এলাম তাও আবার মাসুমের সাথে...
অনেক সুন্দর সুন্দর প্রোগ্রাম চলছে... অনেক পুরানো পুরানো ছবি দেখানো হলও প্রজেক্টরে। একটা ছবিতে তো আমি রোকসা আর মাসুম তিন জনই আছি...
প্রোগ্রাম শেষে সব ক্লাস মেটরা বলছে তোরা এত ক্ষন কই ছিলি? এত দেরী করলি যে?
নাহ একটু ক্যাম্পাসটা ঘুরে দেখলাম।
বাহ পুরানো প্রেম নতুন করে চেপে ধরল নাকি...
আরে ধুর কি যে বলিস... মাসুম হাসতে হাসতে বলল কথাটা।
আমার কেমন জানি লজ্জা লজ্জা লাগছে। যদিও এত বছর পর লজ্জা লাগাটাই স্বাভাবিক।
রাত প্রায় নয়টা... আমার যেতে হবে রে। সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসছিলাম... রোকসা তো প্রায় কেঁদেই দিচ্ছিল। তার কাঁধে হাত রেখে বললাম। তোর আইডিতে আমার একটা ফেইক আইডি আছে। আমার অরজিনাল আইডি থেকে রিকুয়েস্ট পাঠাবো। কনফার্ম করিস... যোগাযোগটা রাখিস...
চলে আসছি। মাসুম কে বলে আসিনি... কিছু মানুষকে বিদায় বলতে হয় না। বিদায় বললে কাছে আরও বেশি আসা হয়ে যায়... তার সাথে তো মনের দূরত্ব কখনোই হয় নি।। বিদায় বলার তো কিছু নেই...
গোল চত্বরে গাড়ি অপেক্ষা করছিল। গাড়িতে এক পা দিতেই মাসুম বলে উঠলো আমাকে কি লিফট দেওয়া যায়?
কেন নয়... উঠে পর। তোমাকে নামিয়ে দেব...
মাসুম আর আমি নির্বিকার ভাবে বসে আছি। আমার হোটেল টা মাসুমের হোটেলের একটু আগে।। আমি নেমে যাচ্ছিলাম। এমন সময় মাসুম বলল। চায়ের কথা বলবে না? তোমার অনেক কেয়ারিং বরের সাথেও পরিচিত হয়ে যেতাম...
আমি মৃদু হেঁসে বললাম। এসো।
দরজা খুলতেই আমার ছেলে মেয়ে দুটো দৌড়ে এলো... কই চলে গিয়েছিলে মা।। এতক্ষন তুমি নেই। আমার একটু পরেই মাসুম ঢুকল ঘরে। সে ঢুকতেই আমার মেয়ে মৃদু তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো। বাবাই তুমি আমাকে না বলেই চলে গিয়েছ। কথা নাই তোমার সাথে...
মাসুম পকেট থেকে একটা ক্যাড ভেরি চকলেট বের করে বলল এইযে দেখ চকলেট আনতে গিয়েছিলাম...
মৃদু চকলেট পেয়েই দৌড়।
একটু পরে রুমে গেলাম। মাসুম পেছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরল। তার দিকে আমাকে ঘুরিয়ে পকেট থেকে একটা কদম ফুল বের করে বলল...
এই যে আমার সাজুনি বউয়ের জন্য...সেদিন যদি বউটা পালিয়ে আমার কাছে না আসতো। তবে আজকের দিনটা কতটা ভয়ানক হত তা আজ টের পাচ্ছি...
হইছে যাও ঢং করতে হবে না... বাচ্চা গুলা দেখে ফেলবে?
কি দেখবে? তাদের বাপ মায়ের রোমান্স? দাড়াও দরজাটা একটু ভিরিয়ে দেই...
এই এই দাড়াও দাড়াও কই যাও? পাগল একটা...
লেখক,
ফাহমিদা ফাম্মী
প্রভাষক ও উপন্যাসিক।
- সিলেটের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল দ্রুত চালু করে ১২শ শয্যায় উন্নীত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে MS3 টেকনোলজি বিডি পরিবারের ঈদ শুভেচ্ছা
- এবার এফ-৩৫ জঙ্গি বিমানে ইরানি আঘাত
- শুধু সামরিক শক্তির মাধ্যমে ইরানের মোকাবিলা সম্ভব নয়: মুজতাবা খামেনেয়ী
- ইরানে সম্ভাব্য হামলার পরিণতির বিষয়ে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
- একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- রমজান মাসই বন্ধ থাকছে মাধ্যমিকসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা
- যুদ্ধ, বিভাজন ও অনিশ্চয়তা: বহুমুখী সংকটে ইসরায়েল
- পুরো রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ
- হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান
- বিজেপি-আরএসএসের বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় উইকিপিডিয়া
- আসামে তীব্র শীতের মধ্যেই ১৫০০ মুসলিম পরিবারের ঘর গুঁড়িয়ে দিল ভারত
- নুতন বই পেয়ে উচ্ছাসিত রাঙামাটির শিক্ষার্থীরা
- সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে খালেদা জিয়ার মরদেহ
- আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আর নেই
- শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান
- জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি জানিয়ে নাহিদকে এনসিপির ৩০ নেতার চিঠি
- পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরশাসনের পতন
- তারেক রহমানের বহনকারী প্লেন নামল সিলেটে

